March 24, 2026, 8:24 pm

সংবাদ শিরোনাম
রাস্তায় ‘মরণফাঁদ’—রংপুরের প্রাণকেন্দ্র সাতমাথা সড়কের দায় কার? ঈদ যাত্রায় জনভোগান্তি নিরসনে সেনাবাহিনীর বিশেষ অভিযান শ্রম পরিদর্শন: লাইসেন্সে অস্বচ্ছতা, বোনাসে নীরবতা রসিক-এর পূর্ণকালীন প্রশাসক হলেন-আইনজীবী মাহফুজ-উন-নবী চৌধুরী আলুর লাভজনক দাম নিশ্চিত করা এবং সার নিয়ে দুর্নীতি, কালোবাজারী বন্ধ করে ভর্তুকি মূল্যে কৃষকের সার পাওয়ার নিশ্চয়তার দাবিতে রংপুরে কৃষক সংগঠনের বিক্ষোভ শ্রম পরিদর্শন না প্রহসন? বদর দিবস উপলক্ষে গঙ্গাচড়ায় আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে রংপুর জেলার নব-নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের পরিচিতি সভা শ্রম পরিদর্শন না প্রহসন? ঈদের আগে হোটেল শ্রমিকদের বোনাস সংকটের ভেতরের গল্প একটি প্রজ্ঞাপন, বহু প্রত্যাশা: ঈদ বোনাসের অন্তরালের গল্প

ডোমারে পরচুলা তৈরী করে অর্থনৈতিক সাবলম্বী হচ্ছে হাজার ও নারী।

মামুন উর রশিদ রাসেল জেলা প্রতিনিধিঃ
নীলফামারীর ডোমারে পরচুলা তৈরী করে হাজার ও নারীর কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে।
নীলফামারী জেলায় পরচুলা তৈরীর কাজে সম্পৃক্ত রয়েছেন লক্ষাধিক নারী।
গ্রামের ওই নারীদের পরচুলা তৈরীতে সহায়তা করছেন সুবর্ণ ট্রেডার্স হেয়ার প্রসেসিং নামের একটি প্রতিষ্ঠান। শুধু এই একটি প্রতিষ্ঠান থেকে জেলার ডোমার,ডিমলা, জলঢাকা ও নীলফামারী সদর উপজেলায় ১৪টি ইউনিটে কাজ করছেন ৪হাজার মহিলা। পরচুলা তৈরী করে অসহায় বেকার নারীদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে। নারীদের তৈরী করা এসব পরচুলা রপ্তানি করা হচ্ছে চীনসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে। পরচুলা তৈরী করতে আশা বামুনিয়া ইউনিয়নের বারবিশা বামুনিয়া গ্রামের এক নারীর নাম শারতী রানী(২৫) স্বামী মানু রায় জানান, তিনি আগে ক্ষেত খামারে শ্রমিকের কাজ করতো। পরচুলা তৈরীর কাজের কথা শুনে তিনিও প্রশিক্ষণ নিয়ে পরচুলা তৈরীর কাজ করছেন। আগে রোদ বৃষ্টিতে ভিজে মাঠে শ্রমিকের কাজ করতো। এখন ঘরে বসে কাজ করছেন। এতে তিনি অনেকটাই স্বাচ্ছন্দবোধ করছেন। তিনি বলেন, নতুন শিখেছি তাই মজুরি কম পাচ্ছি। কিন্তু তাতেও ভালো কারন মাঠে কাজ করতে অনেক সমস্যা হয়। তাছাড়া মাঠে প্রতিদিন কাজ পাওয়া যেতোনা। বেশির ভাগ সময় বসে থাকতে হয়। এখন প্রতিদিন কাজ করতে পারছি। এমনই অপর নারী শৈবা রানী, লক্ষীরানী, পবিত্রা রানী জানায়, আগে বাড়িতে বসে ঘর সংসারের কাজ করতাম এখন পরচুলা তৈরী করে বাড়তি আয় করছি। এতে সংসারের কিছুটা হলেও সহায়তা হচ্ছে। বামুনিয়া ইউনিয়নের সাবেক মেম্বার সাগর চন্দ্র রায় বলেন, আমার একটি গোডাউন ঘরে ১০০জন মহিলাকে নিয়ে একটি ইউনিটে পরচুলা তৈরীর কাজ চলছে। এলাকার অসহায় মহিলারা সেখানে কাজ করে স্বাবলম্বী হচ্ছে। এতেকরে কিছুটা হলেও এলাকাবাসীর অর্থসামাজিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে। সুবর্ণ ট্রেডার্স হেয়ার প্রসেসিং পরচুলা তৈরীর ইউনিট পরিচালনাকারী মিলন চন্দ্র রায় জানান, আমি নীলফামারী উত্তরা ইপিজেডে এভার গ্রীন কোম্পানিতে কাজ করতাম। করোনা কালিন সময়ে আমি বেকার হয়ে যাই। বেকারত্বের অভিশাপ থেকে মুক্তি পেতে ২০২১সালে চীনা কোম্পানির সাথে আলোচনা করে পরচুলা তৈরীর কাজ শুরু করি। এসব ইউনিটে কয়েক ধরনের ক্যাপ তৈরী করা হয়। এসব ক্যাপ তৈরীতে একজন নারী প্রকারভেদে ৩০০থেকে ১২০০টাকা মজুরি পেয়ে থাকে। তিনি আরো জানান অনেক নারী এখান থেকে চুল এবং অন্যান্য সরঞ্জাম নিয়ে নিজ বাড়িতে বসে সাংসারিক কাজের ফাঁকে পরচুলা তৈরী করে অর্থ উপার্জন করছে।
Share Button

     এ জাতীয় আরো খবর